বিস্তারিত
সেরা অফার: ৫০০ গ্রাম দানাদার গাওয়া ঘি ও ৫০০ গ্রাম মিল্ক সুইট বাটার অর্ডার করলেই ৫০০ গ্রাম প্যারা-সন্দেশ একদম ফ্রি 👌👌
অফারটি সীমিত সময়ের জন্য। তাই দেরী না করে আজই অর্ডার করুন।
দানাদার গাওয়া ঘি:
পাবনার ঘি শুধু স্বাদে নয়, এর গুণগত মানেও অনন্য। এই ঘি তৈরি হয় প্রাকৃতিক উপাদান থেকে, যা স্বাস্থ্যকর এবং সুস্বাদু। পাবনার ঘি ব্যবহারে খাবারের স্বাদ যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রদান করে। পাবনার ঘি এর বিশেষত্ব হলো এর প্রস্তুত প্রণালী এবং স্থানীয় উপাদানের ব্যবহার। স্থানীয় গবাদি পশুর দুধ থেকে তৈরি হওয়া এই ঘি, প্রাচীন রেসিপি অনুসরণ করে তৈরি করা হয়, যা এর স্বাদ এবং গুণগত মানকে আরও উন্নত করে। আপনি যদি পাবনার ঘির স্বাদ নিতে চান, তবে আমাদের অর্ডার করুন এবং খাঁটি পাবনা ঘির স্বাদ উপভোগ করুন। আমরা নিশ্চিত, একবার খেলে আপনি এর প্রেমে পড়ে যাবেন!
মিল্ক সুইট বাটার:
আমরা আমাদের মিল্ক সুইট বাটার ঘরোয়া পরিবেশে খাঁটি গরুর দুধের পাস্তুরিত ক্রিম থেকে তৈরি করে থাকি। পাস্তুরিত(জ্বাল দেয়া) বিধায় সুইট বাটারে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া গুলো ধ্বংস হয়ে যায়, তাই এই সুইট বাটার সহজে নষ্ট হয় না। কাঁচা দুধের ক্রিমের সুইট বাটার থেকে এটা অত্যন্ত সুস্বাদু এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। তাই নিশ্চিন্তে এটি আপনার বাচ্চা এবং পরিবারের সবার খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন। আমাদের এই মিল্ক সুইট বাটার বৃদ্ধ থেকে শুরু করে বাচ্চা পর্যন্ত সবার পছন্দের শীর্ষে, বিশেষ করে বাচ্চাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের এই মিল্ক সুইট বাটার।আপনার পরিবারের সদস্যদের পুষ্টি এবং সুস্বাদু নাস্তার জন্য একটা বেস্ট অপশন হতে পারে আমাদের এই মিল্ক সুইট বাটার।
প্যারা সন্দেশ :
যুগ যুগ ধরেই বাঙালিরা অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টান্ন পরিবেশন করেন। এমনকি শেষ পাতের খাবারে অতিথি আপ্যায়নে থাকে নানা মিষ্টান্ন। তার মধ্যে অন্যতম ‘প্যারা সন্দেশ’। বিচিত্র খাবারের মধ্যে শত বছরের সুখ্যাতি আছে ঐতিহ্যবাহী পাবনার ‘প্যারা সন্দেশ’। বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকায় মিষ্টান্ন জগতে অনেক বড় একটি জায়গা করে আছে এই প্যারা সন্দেশ।বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্যারা সন্দেশ তৈরি হচ্ছে। তবে ধারণা করা হয়, প্রায় শত বছর ধরে পাবনা শহরে প্যারা সন্দেশ তৈরি হচ্ছে। প্যারা সন্দেশ এখন বাড়িতে অতিথি আপ্যায়ন, আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে পাঠানো বা নিয়ে যাওয়া মর্যাদার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্যারা সন্দেশ মিষ্টির জগতের অনেক বড় একটি জায়গা দখল করে নিয়েছে। স্বাদ আর পুষ্টিগুণে এটি মানুষের মুখে মুখে।